বান মারার নিয়মঃ
যদি কেউ শত্রুর কারণে অধর্য্য হয়ে পড়েন। অথবা নিজের বাঁচা মুসকিল হয়ে পড়ে এমন্ত অবস্থায় এই বিদ্যা অত্যান্ত ফলপ্রদ।
মন্ত্রঃ “ওঁ নমো হাথ ফাউড়ী কাঁধে মারা,
ভ্যায়রু বীর মশানে খড়া।
লোহে কী ধনী বজ্র কা বান,
বেগলা মারে তো দেবী কালকা কী আল।
গুরু কী শক্তি মেরী ভক্তি,
ফুরো মন্ত্র ঈশ্বরী বাচা,
সত্যনাম আদেশ গুরু কা।।”
বিধিঃ তান্ত্রিক উপাচারে গ্রহন বা দীপান্বিতা আমাবস্যার দিন উপরোক্ত মন্ত্র দশ হাজার বার জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধি হয়। এরপর, দীপান্বিতা রাত্রিতে চৌকী পেতে প্রদীপ জ্বালাবে, গুগুলের ধুনা দেবে, পরে কিছু মাষকালাই নিয়ে উক্ত মন্ত্রে 108 বার অভিমন্ত্রিত করে ১০৮ বার প্রদীপের শিখায় ছুড়ে ছুড়ে মারবে। প্রথমে ১০৮ বার মারবে পরে আবার ১২ বার মারবে পরে একটি কাল কুকুরের রক্তে মাষকালাই ছড়িয়ে ছাইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে রাখবে। তা থেকে তিনটি মাষকালাই নিয়ে তার উপর মন্ত্র পড়ে শত্রুর দেহে নিক্ষেপ করলে সেই ব্যক্তির মৃত্যু অনিবার্য।
নোটঃ অন্যায় ভাবে মন্ত্র প্রয়োগ নিশেধ।
এই বানের দ্বার যে কাউকে মাত্র ২৪/৪৮ ঘন্টার মধ্যে মারা সম্ভব। (পরিক্ষিত)
মন্ত্রঃ ওঁহম রক্ত চামুন্ডায় অমুকাস্য ভষ্ম কারনায় স্বাহা। ওঁহম হ্রীং ক্রীং অমঙ্গলায় ভদ্রকালীয়ায় নমোঃ
ওঁহম অমুকস্য সর্বা রক্তায় কাল চামুন্ডায় পূর্ননাম বিনাষায় কারনায় হ্রীং শ্রীং হৈ ঠঃ ঠঃ ঠঃ ফট্।
নিয়মঃ প্রথমে একটা বাশের আঁশ দিয়ে তীর ও ধনুক তৈরী করতে হবে। তারপর শ্মশ্বান ও কবরস্থানের মাাটি দিয়ে একটা পুতুল তৈরী করতে হবে। মনে রাখবে পুতুলের থেকে তীর ধনুক অবশ্যই ২ গুণ বড় হতে হবে। এবার নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাপড়ের কোনো অংশের দ্বারা পুতুলের জামা তৈরী করতে হবে। পুতুলকে তৈরীকৃত জামাটি পড়াতে হবে। বাজার থেকে ১.সিন্দুর ২.গোলাপজল ৩.আগড়বাতি ৪.ধুপ ৫.ধুপতী ৬.এক জোড়া কবুতর ৭.দেয়ার ৮.সরিষার তেল ক্রয় করতে হবে। এবার পুতুলের পুরো শরীরে সিন্দুর মাখাতে হবে। ধূপ আগড়বাতি জ্বালাতে হবে। কবুতর দু'টি একটানে ছিড়ে তার রক্ত পুতুলের মাথায় ও বুকে মাখাতে হবে। সর্ব শেষে দেয়ার জ্বালাতে হবে সরিষার তেল দিয়ে। এবার মন্ত্রটি ১০০১ বার পাঠ করতে হবে। মন্ত্র পাঠ হয়ে গেলে উত্তর দক্ষিণ অবস্থায় পুতুল রাখতে হবে। এবার এক ঘট জল নিয়ে মন্ত্রটি আবার ৭ বার পাঠ করে জলে ৩ টা ফুঁক দিতে হবে। তারপর ঘটের মুখ সাল কাপড় দ্বারা বাঁধতে হবে। বাঁধা শেষে দেড় হাত দুর থেকে পুতুলের শরীরে তীর ধনুকের দ্বারা আঘাত করতে হবে। এমন করলে নির্দিষ্ট ব্যক্তি গুরুতর অবস্থায় মৃত্যু বরণ করবে।
যদি কেউ শত্রুর কারণে অধর্য্য হয়ে পড়েন। অথবা নিজের বাঁচা মুসকিল হয়ে পড়ে এমন্ত অবস্থায় এই বিদ্যা অত্যান্ত ফলপ্রদ।
মন্ত্রঃ “ওঁ নমো হাথ ফাউড়ী কাঁধে মারা,
ভ্যায়রু বীর মশানে খড়া।
লোহে কী ধনী বজ্র কা বান,
বেগলা মারে তো দেবী কালকা কী আল।
গুরু কী শক্তি মেরী ভক্তি,
ফুরো মন্ত্র ঈশ্বরী বাচা,
সত্যনাম আদেশ গুরু কা।।”
বিধিঃ তান্ত্রিক উপাচারে গ্রহন বা দীপান্বিতা আমাবস্যার দিন উপরোক্ত মন্ত্র দশ হাজার বার জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধি হয়। এরপর, দীপান্বিতা রাত্রিতে চৌকী পেতে প্রদীপ জ্বালাবে, গুগুলের ধুনা দেবে, পরে কিছু মাষকালাই নিয়ে উক্ত মন্ত্রে 108 বার অভিমন্ত্রিত করে ১০৮ বার প্রদীপের শিখায় ছুড়ে ছুড়ে মারবে। প্রথমে ১০৮ বার মারবে পরে আবার ১২ বার মারবে পরে একটি কাল কুকুরের রক্তে মাষকালাই ছড়িয়ে ছাইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে রাখবে। তা থেকে তিনটি মাষকালাই নিয়ে তার উপর মন্ত্র পড়ে শত্রুর দেহে নিক্ষেপ করলে সেই ব্যক্তির মৃত্যু অনিবার্য।
নোটঃ অন্যায় ভাবে মন্ত্র প্রয়োগ নিশেধ।
তুলা রাশির দ্বারা আয়না পড়া
আইনা পড়া (চোর ধরার জন্য) বহু পরিক্ষিত। দোআ:
আল্লাহর মজি পির খানজাহান আলি সাহেেবের দোয়ার বরকতে, হযরত শাহ জালাল শাহ পরান সারফিন সাহেবের দোয়ার বরকতে এই লোকের (নাম হবে) মালামাল যে লোক নিয়ে থাকে ঐ লোকের চেহারা মোবারক পষ্ঠ করে আইনার ভিতর উঠিয়া যাও, লাইলাহা ইলা আন্তা সূবাহানাকা ইন্নি কোনতোম মিনাল যলেমিন।
নিয়ম :
প্রথমে গুরুর অনুমোতি প্রয়োজন, অনুমোতি নিতে চন্ডিবরন দিতে হবে। তারপর কোন খাটি তুলা রাশির লোক সংগ্রহ করে নিতে হবে, আর এমন একটি আয়না সংগ্রহ করতে হবে সে আয়নায় কোন প্রকার ছবি বা ফাটল থাকা যাবে না। এমন একটি আয়না লাগবে। দোআটি আগে মুখস্ত করে নিতে হবে যেকোন শুভ সময়ে। তাহলে সিদ্ধ হবে। দোআটি ৭ বার পড়ে আয়নায় দম করতে হবে। তারপর তুলা রাশির লোকের সামনে আয়নাটি ধরবেন আয়নার ভিতরে সেই চোরের ছবি ভেসে উঠবে, এই তদবীর টি আমার নিজ দ্বারা বহু বার পরিক্ষিত।

Comments
Post a Comment